শিরোনাম
icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
down of head

ভয়াবহ কয়লা সংকটে পড়তে যাচ্ছে ভারত

চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ভয়াবহ কয়লা সংকটে পড়তে পারে ভারত। কারণ এ সময় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভারত সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে কয়লা। জ্বালানিটির সম্ভাব্য সংকট বিদ্যুৎ ঘাটতির ঝুঁকি ত্বরান্বিত করছে। খবর রয়টার্স।

জ্বালানিনির্ভর দেশটির খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) স্থানীয় বাজারে কয়লা সরবরাহ ৪ কোটি ২৫ লাখ টন কমতে পারে। যদিও এটি আগে করা প্রাক্কলনের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ সময় বিদ্যুতের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে। কিন্তু সে তুলনায় কিছু খনির উত্তোলন থাকবে নিম্নমুখী।

পূর্বাভাসে দেখা গিয়েছে, ভারত ঠিক এমন সময় জ্বালানিটির সংকটে পড়তে যাচ্ছে, যখন দেশটিতে সর্বাধিক দ্রুতগতিতে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। গত ৩৮ বছরে চাহিদা বৃদ্ধিতে এমন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আর দেখা যায়নি।

অন্যদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে এমনিতেই জ্বালানিটির সরবরাহ সীমিত। এ কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বর্তমানে রেকর্ড সর্বোচ্চ দামে লেনদেন হচ্ছে। ফলে আমদানির মাধ্যমে চাহিদা মেটাতেও হিমশিম খাচ্ছে ভারত।

সম্প্রতি ভারত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে কয়লা আমদানি বাড়াতে চাপ দিয়েছে। যদি আমদানির মাধ্যমে জ্বালানিটির মজুদ না বাড়ানো হয়, তবে এসব কেন্দ্রে দেশীয় খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দেয়া তথ্য বলছে, এখনো ভারতের বেশির ভাগ প্রদেশে কয়লা আমদানির চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। যদি কোনো কয়লা আমদানি করা হয়, তবে আগামী জুলাইয়ের মধ্যে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কয়লাশূন্য হয়ে পড়তে পারে। জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আমদানি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মাত্র একটি প্রদেশে আমদানির চুক্তিসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পথে রয়েছে।

ভারতের প্রত্যাশা, জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত স্থানীয় বাজারে কয়লা সরবরাহের পরিমাণ দাঁড়াবে ১৫ কোটি ৪৭ লাখ টনে। এর আগে দেশটি ১৯ কোটি ৭৩ লাখ টনের প্রক্ষেপণ করেছিল। সে হিসাবে সরবরাহ ৪ কোটি ২৫ লাখ টন কমবে। এর আগে দেশটি ৩ কোটি ৭০ লাখ টন কয়লা সরবরাহ কমার আশঙ্কা করেছিল। অর্থাৎ সরবরাহ ঘাটতির পরিমাণ আশঙ্কার চেয়েও বেশি।

এদিকে গত এপ্রিলের পর থেকে ভারতে কয়লার মজুদ ১৩ শতাংশ করে কমেছে। গত নয় বছরের মধ্যে এ সময়ে এটিই সর্বনিম্ন মজুদ। ঊর্ধ্বমুখী বিদ্যুৎ চাহিদা মজুদ বাড়ানোর প্রচেষ্টাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

খাতসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, চলতি অর্থবছরে ভারতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোয় কয়লার চাহিদা ৭৮ কোটি ৪৬ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। আগের প্রক্ষেপণের তুলনায় এটি ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বা তার চেয়েও বেশি।

প্রাক্কলিত বার্ষিক কয়লা সংকটের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৯৩ লাখ টন। এর আগে ১ কোটি ৭৭ লাখ টনের প্রক্ষেপণ করা হয়েছিল। সে হিসাবে সংকট বাড়বে প্রায় তিন গুণ।

সূত্র বলছে, সম্প্রতি অনেক প্রদেশ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কোল ইন্ডিয়ার প্রতি বড় পরিসরে কয়লা আমদানির এবং তা প্রদেশগুলোয় বিতরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রদেশগুলো থেকে বলা হচ্ছে, অতিরিক্ত দাম ও সরবরাহ চ্যালেঞ্জের কারণে কয়লা আমদানি দুষ্কর হয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে কোল ইন্ডিয়া এখন পর্যন্ত কিছু জানায়নি।

সম্পর্কিত খবর