শিরোনাম
icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

ফের বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দামে ঊর্ধ্বমুখিতা অব্যাহত আছে। পূর্ব ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ায় পণ্যটির সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ কারণে গতকাল সর্বশেষ কার্যদিবসে পণ্যটির দুই বাজার আদর্শেরই দাম বেড়ে যায়। খবর রয়টার্স।

গতকাল আইসিই ফিউচারস ইউরোপে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম ৫৮ সেন্ট বা দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৮৮ ডলার ৪৭ সেন্টে।

অন্যদিকে নিউইয়র্ক মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (নিমেক্স) মার্কিন বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫৭ সেন্ট বা দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৮৫ ডলার ৭১ সেন্টে।

গত সপ্তাহে উভয় বাজার আদর্শের দাম টানা পাঁচ সপ্তাহের মতো বেড়েছে। সাপ্তাহিক দাম ২ শতাংশ বাড়ার মধ্য দিয়ে পণ্যটির বাজার ২০১৪ সালের অক্টোবরের পর সর্বোচ্চে পৌঁছল। সরবরাহ সংকটের উদ্বেগে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত ১০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে পণ্যটির গড় দাম।

এদিকে জ্বালানি তেল রফতানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও এর মিত্র দেশগুলো উত্তোলন বাড়াতে রীতিমতো সংগ্রাম করছে। উত্তোলন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অব্যাহতভাবে ব্যর্থ হচ্ছে জোটটি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে ঠাণ্ডা আবহাওয়া বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে হিটিং ফুয়েলের চাহিদা বাড়ায় পণ্যটির বাজার আরো ঊর্ধ্বমুখী চাপের মধ্যে পড়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ন্যাটো মিত্রের সহায়তায় পূর্ব ইউরোপ ও বাল্টিক অঞ্চলে সেনা মোতায়েনের কথা ভাবছে বাইডেন প্রশাসন। এ কারণে পূর্ব ইউরোপে সরবরাহ সংকট প্রকট আকার ধারণ করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে রাশিয়া যদি ইউক্রেনে পুতুল সরকার গঠন করে, তবে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে ব্রিটেন। এছাড়া ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গ্রুপের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে।

সূত্র বলছে, ২০২০ সালে জ্বালানি পণ্যের চাহিদায় ধস নামলে জোটটি উত্তোলন কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু গত বছর পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে মোড় নিলে এ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে একমত হন জোটের সদস্যরা। চাহিদা বাড়ায় প্রতি মাসে দৈনিক চার লাখ ব্যারেল উত্তোলন বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জোটটি। এক্ষেত্রে ১০ সদস্যবিশিষ্ট ওপেককে দৈনিক ২ লাখ ৫৩ হাজার ব্যারেল করে উত্তোলন বাড়ানোর সীমা বেঁধে দেয়া হয়। কিন্তু জোটটির অনেক ক্ষুদ্র উত্তোলক দেশ সরবরাহ বাড়াতে সক্ষম হয়নি। অন্যরা আবারো চাহিদা কমার আশঙ্কায় উত্তোলন বাড়াচ্ছে না।

সম্পর্কিত খবর