শিরোনাম
icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা icon তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বেঙ্গল উইন্ডসোর লভ্যাংশ ঘোষণা icon রহিম টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

প্রথম প্রান্তিকে ভালো ব্যবসা করেছে একমি ল্যাবরেটরিজ

চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভালো ব্যবসা করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের কোম্পানি দ্য একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির আয় আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৯ শতাংশের বেশি। আর কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে প্রায় ৪২ শতাংশ। কোম্পানিটির সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে একমি ল্যাবরেটরিজের আয় হয়েছে ৫৯৪ কোটি টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৯৭ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকার বেশি বা ১৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার বেশি। আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ৪১ কোটি টাকার বেশি। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে ১৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা বা ৪১ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৭৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময় যা ছিল ১ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৭ টাকা ৮৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৯৫ টাকা ৪ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে একমি ল্যাবরেটরিজের পরিচালনা পর্ষদ। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১৫৬ কোটি ৯২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যেখানে আগের হিসাব বছরে কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ছিল ১৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা। সেই হিসাবে আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার বেশি বা ৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।

সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৮৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯৫ টাকা ৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ৯০ টাকা। সমাপ্ত হিসাব বছরের ঘোষিত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভার্চুয়াল মাধ্যমে কোম্পানিটির ৪৫তম বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। লভ্যাংশ নির্ধারণ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ধরা হয়েছে ১৮ নভেম্বর।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে একমি ল্যাবরেটরিজ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৬ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৮১ পয়সা। এর আগে ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৩৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল একমি ল্যাবরেটরিজ। তার আগের তিন হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।

সম্পর্কিত খবর