শিরোনাম
গ্রীনভ্যালি এপার্টমেন্টের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিতবাসা ভাড়ার নামে ডেকে এনে বিজ্ঞানী সরোয়ারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টাসাইবার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, ভর্তি ১৫১২হামে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,০৩২৫৯২ কোটি টাকায় দুই কূপ খনন, মিলবে বিপুল গ্যাসখোলা পোলাও চাল ১০০ টাকা, প্যাকেটের দাম দ্বিগুণমাছ-সবজিতে স্বস্তি, কমেনি মুরগি-ডিমের দামপথের খাবার বিক্রিতেও নিবন্ধন বাধ্যতামূলকসাজেক ভ্যালি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণাপুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ কমছে, বাড়ছে অস্থিরতাকমল সোনার দামফাঁকা ঢাকা, সড়কে নেই যানজটগ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে চাপে পোশাক খাতজয়ার রূপে রোদ-গোলাপির ছোঁয়া
down of head

‘ধর্মদ্রোহী মাঈনুদ্দীন খান বাদলের জানাযা বয়কট করুন’

‘ধর্মদ্রোহী মাঈনুদ্দীন খান বাদলের জানাযা বয়কট করুন,’ জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী তিনি তার ফেসবুক টাইম লাইনে এমন মন্তব্য করেন।

তিনি তার ফেসবুক টাইম লাইনে লেখেন, ”কোন ধর্মের লোক মারা গেলে তার শেষ কৃত্যের নিয়ম সে ধর্মে অবশ্যই আছে। নাস্তিক ও ইসলাম ধর্ম বিদ্বেষীদের শেষ কৃত্যের কোন নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। যে যার মত করে শেষ কৃত্য করে। যেমন ড. আহমদ শরীফ উপায়ান্তর না দেখে মৃত্যুর পূর্বেই স্বীয় দেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজে দান করে গিয়েছিলেন। মুসলিমদের শেষ কৃত্য হল তাঁকে সুন্দর ভাবে গোসল দিয়ে, সাদা কাপড়ে কাফন পরিয়ে, সুগন্ধি মাখিয়ে, জানাযা দিয়ে সন্মানের সাথে মাটিতে কবর খুঁড়ে দাফন করা। সুষ্পষ্ট মুসলিম পরিচয় বিহীন কেহ মারা গেলে তার জানাযা দেয়া বা মৃতদেহ মুসলিমদের কবরে দাফন করাও জায়েয নেই।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে মদীনার ইয়াহুদিরা বার বিশ্বাস ঘাতকতার কারনে তাদেরকে যে শাস্তি দিয়েছিলেন, এ জন্য জাসদ নেতা মাঈনুদ্দীন খান বাদল আল্লাহর রাসুলের শানে বেআদবী মুলক মন্তব্য করেছে। আর নবীর শানে অপমানজনক উক্তি করা কুফর।

হাইকোর্টে মূর্তি স্হাপনের বিরুদ্ধে আলেম-উলামা ও দীনদার লোকেরা (শরীয়া বিরোধি হওয়ায়) আন্দোলন করেছিলেন। তখন এই মাঈনুদ্দীন খান বাদল এজন্য আলেমদেরকে কুকুরের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিলেন। আর আলেমদেরকে ধর্মীয় কারনে কটাক্ষ করা কুফর। এমনিতেই তিনি নাস্তিক্যবাদী লোক ছিলেন। এ থেকেই তার এ কটাক্ষ। এতে তার নামের সাথে মুসলিম পরিচয় থাকায় তিনি শরীয়া মোতাবেক মুরতাদ বা ধর্মদ্রোহী। তাই তার জানাযা পড়া, পড়ানো, মুসলিমদের কবরে দাফন করা জায়েয নেই। আর তারা যারা ধর্মে বিশ্বাস করেননা, তারা কেনই বা অহেতুক ধর্মীয় নীতিতে শেষকৃত্যের জন্য তৎপর হয়ে উঠবেন।

আলেমদের প্রতি আরজ, আত্নীয়তা বা কোন চাপের মুখে নতি স্বীকার করে তার জানাযায় যাবেননা। সমস্ত মুসলিমদের প্রতিও একই আবেদন থাকল। তাকে কোথাও মাটিতে গর্ত করে পুতে রাখুক, না আগুনে পুড়ে ভষ্ম করে দিক বা সাগরের পানিতে ভাসিয়ে দেয়া হোক তাতে কারো কিছু যায় আসে না।”

সম্পর্কিত খবর