শিরোনাম
icon রিয়াদ-দাম্মামের ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল icon সূচকের উত্থানে লেনদেন ৪৪০ কোটি টাকা icon পোশাক রপ্তানি বাড়লেও নির্ভরতা মৌলিক পণ্যে icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা
down of head

দশ মাসে ২১১ কোটি টাকার শুকনো হলুদ আমদানি

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে শুকনো হলুদ আমদানি কমেছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের দশ মাসে মসলা পণ্যটির আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অন্তত ৩০ শতাংশ নিম্নমুখী ছিল। এক্ষেত্রে চাহিদা কমে যাওয়াকে দায়ী করছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনো হলুদ আমদানি হয়েছে ১৮ হাজার ৫২২ টন, যার মূল্য ২১১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। আমদানীকৃত হলুদ থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত শুকনো হলুদ আমদানি হয়েছিল ২৬ হাজার ৮৬৮ টন, যার মূল্য ছিল ৩০৩ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ টাকা।

ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলা পণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, চলতি অর্থবছর তার প্রতিষ্ঠানে শুকনো হলুদ আমদানি কমেছে। গত অর্থবছর প্রতি মাসে গড়ে ২০০-২৫০ ট্রাক শুকনো হলুদ আমদানি হয়েছে। কিন্তু চলতি অর্থবছর ১৭০-১৮০ ট্রাক শুকনো হলুদ আমদানি হচ্ছে। তিনি বলেন, দেশীয় বাজারে হলুদের চাহিদা কম থাকায় আমদানি নিম্নমুখী।

সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের মসলা পণ্য বিক্রয় প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাহা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী সমরেশ সাহা জানান, দেশীয় বাজারে গুঁড়ো হলুদের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা কমে গিয়েছে। এতে দামও কিছুটা কম। গতকাল তার প্রতিষ্ঠানে গুঁড়ো হলুদ পাইকারি বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৭০ টাকা দরে, যা দুই সপ্তাহ আগেও বিক্রি হয়েছে ১৮০ টাকা কেজি দরে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় হলুদ উৎপাদন বেড়েছে। চলতি মৌসুমে ১৩ হাজার টন কাঁচা হলুদ উৎপাদন লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গত মৌসুমের তুলনায় ২ হাজার টন বেশি। লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে জেলায় ৭৪০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ হয়েছে।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কুমিরা গ্রামের হলুদচাষী সিরাজুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে হলুদ চাষ করেছেন। পাঁচ টনের বেশি কাঁচা হলুদ উৎপাদন হবে বলে আশা করছেন তিনি। গত মৌসুমে দুই বিঘা জমিতে হলুদ চাষ করে সাড়ে তিন টন হলুদ উৎপাদন হয়েছিল। সে সময় তার উৎপাদন খরচ বাদে ১৮ হাজার টাকা লাভ হয়েছিল।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে হলুদ উৎপাদন লক্ষ্য কিছুটা বেড়েছে। তবে ফসলটি উৎপাদনে সময় বেশি লাগায় হলুদ চাষে কৃষকদের মাঝে আগ্রহ কম।

সম্পর্কিত খবর