শিরোনাম
icon শ্যামপুর সুগার মিলসের প্রথম প্রান্তিক প্রকাশ icon ঢাকা ব্যাংকের তৃতীয় প্রান্তিক প্রকাশ icon নভেম্বরে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ : সিইসি icon লভ্যাংশ দেবে না আজিজ পাইপস icon সামিট পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon বিডি অটোকার্সের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইভেন্স টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ইউনাইটেড পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা icon লোকসানেও আলহাজ্ব টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষণা icon উপকূল পেরিয়ে দুর্বল হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব icon বেতন দিতে বিশেষ ঋণ নিচ্ছে সরকার icon আবারও বাড়ল সোনার দাম icon জাপানে আন্তর্জাতিক সেমিনারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন জেনিথ লাইফের সিইও icon বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের ঘোষণা icon গ্রীষ্মের আগে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ icon দরপতনের শীর্ষে মীর আক্তার হোসেন icon ডেঙ্গুতে আরও ১১ মৃত্যু, ভর্তি ২,০৭১ icon অর্থছাড়ে শীর্ষে আইডিএ ও এডিবি icon শ্যালিকাকে বিয়ে করে বাড়িছাড়া মাসুদ icon সূচকের পতনে লেনদেন ৪০৩ কোটি টাকার icon ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন icon সিকদার ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon পদ্মা অয়েলের পর্ষদ সভার তারিখ ঘোষণা icon কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা icon ক্রাউন সিমেন্টের লভ্যাংশ ঘোষণা
down of head

জিডিটি নিলামে দুগ্ধপণ্যের দাম ৫.১% বেড়েছে

গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) সর্বশেষ নিলামে দুগ্ধপণ্যের মূল্যসূচক এক দশকের কাছাকাছি উচ্চতায় পৌঁছেছে। এ নিয়ে টানা পাঁচ নিলামে মূল্যসূচকে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গিয়েছে। নিলামে দুগ্ধপণ্যের দাম আগের অধিবেশনের তুলনায় ৫ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। গড় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৬৫ ডলারে।

পাল্লা দিয়ে যেমন বাড়ছে চাহিদা, ঠিক তেমনি কমছে সরবরাহ। কারণ গত বছর থেকেই বিশ্বজুড়ে দুধ উৎপাদন মন্দার মুখে। পশুখাদ্যের দাম অব্যাহতভাবে বাড়ায় খামারিরা বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া পশুপালনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য উপকরণের দামও বেড়েছে। তাছাড়া সরবরাহ চেইনে সংকট বাজারে অস্থিতিশীলতাকে আরো তীব্র করে তুলছে।

তথ্য বলছে, এবার জিডিটি মূল্যসূচক ১ হাজার ৫৯৩ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ২০১৩ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে এ সূচক।

সর্বশেষ নিলামে সর্বোচ্চ ২৬ হাজার ৫৯৫ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করা হয়। অথচ এর আগের নিলামে সর্বোচ্চ ৩১ হাজার ৩২ টন দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করা হয়েছিল। সে হিসাবে সরবরাহ কমেছে ৪ হাজার ৪৩৭ টন।

এবারের নিলামে মোট সরবরাহকৃত দুগ্ধপণ্যের মধ্যে বিক্রি হয়েছে ২৫ হাজার ২০৮ টন। নিলামে অংশ নিয়েছে ১৭৬ জন ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে বিজয়ী হয়েছে ১১২ জন।

রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে চেডার পনির, মাখন, মাখনযুক্ত গুঁড়োদুধ ও ননিযুক্ত গুঁড়োদুধ। জিডিটি নিলামের তথ্যানুযায়ী, চেডার পনিরের দাম আগের অধিবেশনের তুলনায় ১০ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টন লেনদেন হয়েছে ৬ হাজার ৩৯৪ ডলারে। মূল্যবৃদ্ধির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে মাখন। পণ্যটির দাম ৫ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৮৬ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাখনযুক্ত গুঁড়োদুধের দাম ৪ হাজার ২১৭ ডলারে পৌঁছেছে। আগের নিলামের তুলনায় দাম বেড়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

জিডিটি নিলামে ননিযুক্ত গুঁড়োদুধ সবচেয়ে বেশি প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচিত হয়। খামারিরা এটি থেকে সরাসরি লাভবান হন। সর্বশেষ নিলামে পণ্যটির দাম ৫ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৭ ডলারে।

অন্যদিকে ননিবিহীন গুঁড়োদুধের দামও বেড়েছে লক্ষণীয় মাত্রায়। পণ্যটি বেচাকেনা হয়েছে ৪ হাজার ৪৮১ ডলারে। আগের নিলামের তুলনায় দাম বেড়েছে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

এছাড়া অ্যানহাইড্রাস মিল্ক ফ্যাটের দাম ২ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ৭ হাজার ৪৮ ডলার ও ল্যাকটোজের দাম দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৩৪ ডলারে পৌঁছেছে।

বৈশ্বিক এ নিলামে সবচেয়ে বেশি দুগ্ধপণ্য সরবরাহ করে ওশেনিয়া মহাদেশ। এছাড়া দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোর সরবরাহও থাকে ভরপুর। কিন্তু গত ছয় মাসে সরবরাহ আগের বছরগুলোর তুলনায় অনেক কমেছে। ফলে শীর্ষ ভোক্তা দেশগুলোর মাঝে সরবরাহ নিশ্চিতে প্রতিযোগিতা তীব্র হয়ে উঠেছে।

এদিকে বিশ্বজুড়ে দুগ্ধপণ্যের চাহিদা বাড়ায় কমছে মজুদ। সর্বশেষ নিলামে বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে ডব্লিউএমপি ও এসএমপি। আর এসব পণ্যের শীর্ষ ক্রেতা ছিল চীন। দুই বছর ধরে দেশটি রেকর্ড পরিমাণ দুগ্ধপণ্য আমদানি করেছে। এমন অস্বাভাবিক চাহিদার কারণেই দাম হু হু করে বাড়ছে। বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, বছরের শেষ দিকে চাহিদা কিছুটা কমলেও বার্ষিক চাহিদার হার ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে। তবে চলতি বছরও দুগ্ধপণ্যের সরবরাহ থাকবে কমতির দিকে। প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো বর্তমানে দুগ্ধপণ্যের মজুদ বাড়ানোর প্রতি জোর দিচ্ছে। উদ্দেশ্য আপত্কালীন ক্রমবর্ধমান চাহিদা মোকাবেলা করা। এছাড়া জাহাজীকরণ বিলম্বের কারণেও আগেভাগে দুগ্ধপণ্য সংগ্রহ করে রাখছে এসব দেশ।
ভিন্নবার্তা ডটকম/এসএস

সম্পর্কিত খবর