শিরোনাম
icon গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা icon ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon আফতাব অটোর বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ওয়াটা কেমিক্যালের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon মেঘনা সিমেন্টের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon রহিমা ফুডের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon সাইবার হামলায় জনতা ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon বসুন্ধরা পেপারের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বাংলাদেশ বিল্ডিং সিস্টেমসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সামিট পাওয়ারের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon সাইনপুকুর সিরামিকসের বোর্ড সভা ২৯ অক্টোবর icon ইউনিক হোটেলের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon ইন্দো-বাংলা ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বেক্সিমকো ফার্মার বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon স্টাইল ক্রাফটের বোর্ড সভা ২৮ অক্টোবর icon বিবিএস ক্যাবলসের বোর্ড সভা ২৭ অক্টোবর icon ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্প স্থগিত icon সূচকের পতনে চলছে লেনদেন icon আবারও কমল সোনার দাম icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫৯৮ জন icon চালু হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon ৫ দিনের ছুটি শেষে খুলল অফিস icon আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
down of head

‘কৃষকেরও পেট আছে, সংসার আছে’: কৃষিমন্ত্রী

কৃষিপণ্যের বর্তমান দাম নিয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বৃষ্টির মৌসুমে কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ বেশি। কৃষকেরও তো পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমি প্রতিদিন বাজারে যাই। মহাখালী বাজার আমার পরিচিত। আমি নিয়মিত ব্যাগ নিয়ে বাজার করি। আমার গাড়িতে সবসময় একটা ব্যাগ থাকে।

তিনি বলেন, এটা বৃষ্টির সিজন। এই সিজনে সবজি উৎপাদন করা খুব সহজ কাজ না। উৎপাদন খরচটা একটু বেশি থাকে। যেমন কাঁচামরিচের ক্ষেত্রে শেড তৈরি করতে হয়, যা বেশ ব্যয়বহুল।

মন্ত্রী বলেন, কৃষিপণ্যের দাম কত? ৮০ টাকা, ১০০ টাকা। তাই তো? এক কেজি করলা উৎপাদন করতে কৃষকের কত টাকা খরচ হয়, সেটা একটু দেখুন। কৃষকেরও তো পেট আছে, সংসার আছে। তাকে তো বাঁচতে হবে।

তিনি বলেন, এখানে কৃষিপণ্য তো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এ কারণেই আমরা কৃষক কার্ডের দিকে যাচ্ছি। উৎপাদন ও চাহিদার সঠিক হিসাব এখনো আমার কাছে নেই। আমি যদি জানতে পারি, এই জেলা বা উপজেলায় নির্দিষ্ট কোনো সবজির কতটা চাহিদা রয়েছে, তাহলে সেই অনুযায়ী ওই এলাকার কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে পারি। আপনি এই এই ফসল উৎপাদন করুন, আপনার উপজেলাতেই এগুলোর বাজার রয়েছে। এতে পণ্য পরিবহনের খরচও কমবে। মিনি কোল্ড স্টোরেজের ক্ষেত্রেও আমরা একই ধারণা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, কৃষক যেখানে ফসল উৎপাদন করবেন, সেখান থেকে গ্রামে এসে কাঁধে বা মাথায় করে তা কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে পরিবহন খরচ থাকবে না বললেই চলে। ফলে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় কমে যাবে। এই ধারণা নিয়েই আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।

সম্পর্কিত খবর