down of head

কুড়িগ্রামে অর্থনৈতিক অঞ্চল দেখতে যাচ্ছেন ভুটানের রাজা ওয়াংচুক

কুড়িগ্রামের বাসিন্দাদের সংসার চালাতে কাজের খোঁজে রাজধানীসহ দেশের অন্যান্য এলাকায় যেতে হয়। এলাকায় কর্মসংস্থানের খুব একটা সুযোগ নেই। তারা এখন দরিদ্রতাকে বিদায় জানানোর স্বপ্ন দেখছেন। কেননা, কুড়িগ্রামে গড়ে উঠছে ‘ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’।

আজ কুড়িগ্রাম সফরে যাচ্ছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক। বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন তিনি। সদর উপজেলায় ধরলাপাড়ে কুড়িগ্রাম-সোনাহাট স্থলবন্দর মহাসড়কের মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে বিশেষ এ অর্থনৈতিক অঞ্চল।

বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান থেকে ধরলার দূরত্ব প্রায় ৫০০ মিটার, কুড়িগ্রাম শহর এক কিলোমিটার, রেলওয়ে স্টেশন তিন কিলোমিটার, সোনাহাট স্থলবন্দর (ভারতের আসামের সঙ্গে যুক্ত) ৪৪ কিলোমিটার, চিলমারী নৌ-বন্দর ৩৪ কিলোমিটার রংপুর নগরী ৫২ কিলোমিটার ও লালমনিরহাট বিমানবন্দর ৩১ কিলোমিটার। অর্থনৈতিক অঞ্চলের সঙ্গে সড়ক, রেল, নৌ ও আকাশপথের ভালো যোগাযোগ আছে। তবে লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি এখন চালু নেই।

কুড়িগ্রামের স্থানীয়রা মনে করছে, নদ-নদী ও চরাঞ্চল অধ্যুষিত এই জেলায় কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাসহ শিল্পায়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে। কুড়িগ্রামে ভুটানি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এটি আন্তর্জাতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে। জেলার সার্বিক চিত্র বদলে যাবে।

সম্পর্কিত খবর