শিরোনাম
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহারবাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতিতে বিশ্বব্যাংকের সম্মতিচলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৩.২%ঢাকা থেকে রিয়াদের ৬১ ফ্লাইট বাতিলমূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬%, খাদ্যবহির্ভূতে বেড়েছেট্রাস্ট লাইফের শেয়ার কারসাজি, তিন বিনিয়োগকারীকে জরিমানাবিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভা শুরু, ঋণ নিয়ে আলোচনাভয়ংকর স্বদেশ লাইফ: সব টাকা লুটে খাচ্ছে সিন্ডিকেট!ডেঙ্গুতে এক দিনে ভর্তি ২১৯৩, মৃত্যু ৪প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সাক্ষাৎদুই মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে বড় বৃদ্ধিএসএমই অর্থায়ন ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকারআড়াইহাজারে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,০৮৬ জনপ্রবাসীদের জন্য ব্যাংক হিসাবের নতুন নিয়ম, বাড়লো সুবিধা
down of head

এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার

এলপিজি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি পূর্বঘোষিত ১৫ ও ১৬ অক্টোবরের ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের কোরেশী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যানের সঙ্গে আজকে বৈঠক হয়েছে। আগামী ২৯ অক্টোবর সবপক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে দাবি বিবেচনার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমাদেরকে বলা হয়েছে, নভেম্বর মাসের দাম ঘোষণার সময় দাবিগুলো সমন্বয় করা হবে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, আগামী ২৯ অক্টোবর এলপিজির উপর গণশুনানির গ্রহণ করা হবে। সেখানে সকলপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আদেশ আদেশ দেওয়া হবে।

আবু তাহের কোরেশী বলেন, ইতোমধ্যে ভোক্তা অধিদপ্তর ও অন্যান্য মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যেসব মামলা হয়েছে। সেগুলো রিভিউ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা বিইআরসি ঘোষিত দামে এলপিজি পাচ্ছি না। আমাদের কাছ থেকে বেশি দাম আদায় করা হচ্ছে। দাম বেশি নিলে আমরা কমদামে বিক্রি করবো কিভাবে।

অন্যদিকে বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এলপিজি আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধর্মঘটের বিষয়ে হুশিয়ারি দেন বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

তিনি বলেছেন, এই মুহুর্তে কেউ যদি এলপিজি নিয়ে ধর্মঘট করার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কমিশন পুনর্নির্ধারণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হয়রানি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারাদেশে এলপিজি দোকান বন্ধ রাখার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এলপি গ্যাস সংকটের সূত্রপাত। রাষ্ট্রীয় একটি গোয়েন্দা বাহিনীর রিপোর্টে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার ঊর্ধমূখী (টনপ্রতি ৬৪ ডলার) দেখে ৫টি কোম্পানি ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিক্রি প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে।

নতুন দামে বিক্রি করার জন্য হাজার হাজার টন এলপিজি ধরে রেখেছে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগস্টে আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার টন, আর সেপ্টেম্বর মাসে এসেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন। সে কারণে বাজারে ঘাটতি হওয়ার কোন সুযোগ নেই। অক্টোবর মাসে দাম বাড়িয়ে দিলেও সেই দামেও মিলছে না এলপিজি।

পরিবেশক, খুচরা বিক্রেতা এমনকি গোয়েন্দা তথ্যেও এলপিজি অবৈধ মজুদের বিষয়টি সামনে এলেও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ঘোষণা দিলেও সুফল দৃশ্যমান নয়। অভিযোগের তীর যাদের দিকে সেই আমদানিকারকদের বিষয়ে কোন পদক্ষেপ দেখা যায়নি। কিছু খুচরা বিক্রেতার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করা হয়।

সম্পর্কিত খবর