শিরোনাম
icon এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর icon সৃজনশীল শিল্পে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: অর্থমন্ত্রী icon টানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট icon ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, ভর্তি ১৮৯৮ icon ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু icon টেকসই প্যাকেজিংয়ে আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শুরু icon আগাম শীতের সবজিতেও দামের উত্তাপ icon ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪ icon প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ বই icon আজ ৮১তম জাতিসংঘ দিবস icon বিশ্ববাজারে ৬ মাসের সর্বোচ্চে তেলের দাম icon ইউরোপে পোশাক রপ্তানিতে চাপে বাংলাদেশ icon রাজধানীর যেসব এলাকায় ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না icon ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, দুর্ভোগে ২১ হাজার ৯৩৩ যাত্রী icon আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাট icon ভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত উপাদান icon ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১২৯৯ icon হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু icon ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭ icon এনসিপির নতুন আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতার icon ইউরোপ থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশি icon শীতের সবজি বাজারে, কমল কিছু পণ্যের দাম icon কমল স্বর্ণের দাম icon ফলের চড়া দামে ক্রেতার নাভিশ্বাস icon তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৬
down of head

এক বছরে রিজার্ভ বাড়ল ৮ বিলিয়ন ডলার

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ২৮ বিলিয়ন (১০০ কোটিতে এক বিলিয়ন) ডলার বা ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার ছাড়াল। এক বছরের হিসাবে দেশের নিট রিজার্ভ বাড়ল প্রায় ৮ বিলিয়ন বা ৮০০ কোটি ডলার।

গত বছরের এই সময়ে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার কোটি ডলার বা ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এর আগে কখনো এতো বেশি মাত্রায় রিজার্ভ বাড়েনি।
রবিবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

আলোচ্য সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের বকেয়া বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ, চলতি ব্যয় মেটানো ও বর্তমান সরকারের নেওয়া স্বল্প মেয়াদী ঋণ পরিশোধের পর দেশের রিজার্ভ বেড়েছে। রিজার্ভ বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে, দেশ থেকে টাকা পাচার বহুলাংশে রোধ, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করার কারণে ডলারের খরচ কমেছে।
অন্যদিকে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়া ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির কারণে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় বেড়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা খরচের চেয়ে আয় বেড়েছে বেশি। এতে করে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেশি মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে রিজার্ভ বাড়লেও বছরর শেষ প্রান্তিকে এসে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চলতি হিসাবে আবার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই অক্টোবরে এসে এ ঘাটতির পরিমাণ দাড়িয়েছে ৭৪ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। এর আগে আগস্ট পর্যন্ত এ হিসাবে উদ্বৃত্ত ছিল। সেপ্টেম্বর থেকে ঘাটতি দেখা দেয়। এর কারণে চলতি অর্থবছরের আগস্ট সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কিছুটা কমে যায়। অন্যদিকে আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি ডলার। গত ২৮ ডিসেম্বর দিনের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৮১১ কোটি ডলার। আলোচ্য সময়ে রিজার্ভ বেড়েছে ৭৯৩ কোটি ডলার। একই সময়ে গ্রস রিজার্ভও ২ হাজার ৪৯৭ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৩ হাজার ২৮০ কোটি ডলারে দাড়িয়েছে।

এক মাসের হিসাবেও রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি ডলারের মতো। গত নভেম্বরের শেষ দিনে নিট রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৬৩৭ কোটি ডলার।

এদিকে দেশের রিজার্ভ বাড়ায় ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রয়েছে। তবে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে টাকার মান কিছুটা বেড়েছিল। পরে ডলারের দাম ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনেছে।

সম্পর্কিত খবর