একীভূতকরণ স্কিম অনুমোদনে ইজিএম করবে ড্রাগন সোয়েটার
ড্রাগন সোয়েটার বাংলাদেশ লিমিটেডের সঙ্গে একীভূতকরণের স্কিমে অনুমোদন করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। এ স্কিমে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৬ জুলাই বেলা ১১টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) আহ্বান করেছে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ জুন। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিংয়ে ১০৭তম পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে কোম্পানিটি জানিয়েছে, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস দিয়ে একীভূতকরণে স্কিমটি তৈরি করা হয়েছে। একীভূতকরণের স্কিমটি এখন হাইকোর্টের অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) ড্রাগন সোয়েটার অ্যান্ড স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯২ পয়সা। আর তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৭২ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্রাগন সোয়েটারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ৯৮ পয়সা।
এর আগের ৩০ জুন ২০২০ সমাপ্ত হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পনিটি। তার আগের হিসাব বছরে ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০১৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ড্রাগন সোয়েটারের অনুমোদিত মূলধন ৮০০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ২১০ কোটি ৭৯ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের মধ্যে ৩২ দশমিক ১৭ শতাংশ এর উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক ৪২ ও বাকি ৫০ দশমিক ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।



