শুভেচ্ছা বিনিময়েই কাটছে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবস

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর সোমবার খুলেছে সরকারি অফিস। সকাল থেকেই অফিসে আসতে থাকেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তবে প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে উপস্থিতি কম।

এদিন সকাল থেকে সচিবালয়ের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা যায়, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশ কম। কাউকে কাউকে দেরি করে অফিসে আসতে দেখা গেছে। সকাল ১০টার দিকে সচিবালয়ে চার নম্বর ভবনের সামনে গাড়ি রাখার জায়গা অনেকটাই ফাঁকা ছিল।

খাদ্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, ভূমি মন্ত্রণালয়, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কক্ষেই কর্মকর্তারা নেই। কোনো কক্ষে ৪ থেকে ৫ জন প্রশাসনিক কর্মকর্তা বসার ব্যবস্থা থাকলেও দেখা গেছে একজন দুজনকে; বাকিরা সব ছুটিতে রয়েছেন। দু’একজন ছাড়া সকাল ১০টা পর্যন্ত সচিবালয়ে মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা সচিবালয়ে প্রবেশ করেননি বলেও জানা গেছে।

অফিসে এসে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। একে অপরের সঙ্গে করছেন কোলাকুলি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানিয়েছেন, ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে অনেকটাই ঈদের আমেজ থাকে। যারা দূর-দূরান্তে ঈদ করতে যান তারা সাধারণত ঈদের ছুটির বাইরেও আলাদা করে ছুটি নেন। তাই সাধারণত দুই ঈদের পর সচিবালয়ে উপস্থিতি স্বাভাবিক হতে কিছুদিন সময় লেগে যায়। তাই এবার সচিবালয় স্বাভাবিক হতে আগামী সপ্তাহ লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন তারা।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরের আসেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এর কিছু সময় পরে আসেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক। আসতে থাকেন অন্যান্য মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, অনেক ভিড়ের সচিবালয় এখন ফাঁকা। রাস্তাও ফাঁকা। সচিবালয় স্বাভাবিক হতে আগামী সপ্তাহ লেগে যাবে

এসএইচ

সম্পর্কিত খবর