শীতে করোনা বাড়ার শঙ্কায় সতর্ক হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘ইতোমধ্যে টিকাদান কর্মসূচি যেটা চলছে আগামী বছরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে আমরা সবাইকে টিকা দিতে সক্ষম হবো।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো মানুষ যেন বাদ না যায়, সব নীতিমালা অনুযায়ী টিকা গ্রহণ করার মতো যোগ্য প্রত্যেকটা মানুষ টিকা পাবে, সে ব্যবস্থাটা আমরা করেছি।’

স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদেরও টিকা দেওয়া হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘টিকাদান কর্মসূচি চলছে সারা দেশব্যাপী। পাশাপাশি আমাদের ছাত্রসমাজকে আমরা টিকা দিচ্ছি এবং স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদেরও আমরা টিকা দেবো। সে প্রস্তুতি আমরা ইতোমধ্যে নিয়েছি। দুই একদিনের মধ্যেই আমরা কাজ শুরু করবো।’

সরকার করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে সব কিছুতেই একটা স্থবিরতা সারা বিশ্বব্যাপী সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বাংলাদেশে আমরা সব সময় চেষ্টা করেছি যে বাংলাদেশে যেন কোনো মতে কোনো কিছু স্থবির না হয়, অন্তত সচল থাকে। সেদিক থেকে আমরা মনে করি বাংলাদেশ যথেষ্ট সাফল্য অর্জন করেছে।’

অনুষ্ঠানে ৩৭টি ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ভাণ্ডারে মোট ২৬ লাখ ৪৫ হাজার পিস কম্বল এবং ১০ লাখ টাকা অনুদান হিসেবে প্রদান করে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্ত থেকে তার পক্ষে মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস এসব অনুদান গ্রহণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রান্তে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস্ (বিএবি) চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যাংক মালিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষের যে কোনো দুঃসময়ে দেখেছি আমাদের ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশন সব সময় এগিয়ে আসে। প্রত্যেক ব্যাংক সব সময় সহযোগিতা করে থাকেন। এমনকি এটা আমাদের বলারও প্রয়োজন হয় না আপনারা নিজেরা নিজেদের থেকে এগিয়ে আসেন মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য। সে জন্য আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’