রেনাটার এমডির শেয়ার কেনা সম্পন্ন
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শেয়ার কেনা সম্পন্ন করেছেন পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ খাতের কোম্পানি রেনাটা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও পর্ষদে সাজেদা ফাউন্ডেশনের মনোনীত পরিচালক সৈয়দ এস কায়সার কবির। বিদ্যমান বাজারদরের ভিত্তিতে কোম্পানিটির ১০ হাজার শেয়ার কিনেছেন তিনি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯৭৯ সালে পুঁজিবাজারে আসা রেনাটা লিমিটেড ১৯৭২ সালে মার্কিন ওষুধ জায়ান্ট ফাইজারের একটি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশে যাত্রা করে। ১৯৯৩ সালে ফাইজার স্থানীয় শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তাদের মালিকানা বিক্রি করে চলে যায় এবং কোম্পানির নাম ফাইজার (বাংলাদেশ) লিমিটেডের বদলে হয় রেনাটা লিমিটেড। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোম্পানিটির ওষুধ রফতানি হচ্ছে। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৯৭ কোটি ৪৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৮২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ারের ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ২০ দশমিক ৭৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ২২ দশমিক ৭৭ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রেনাটার সমন্বিত আয় হয়েছে ৭৭৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত আয় হয়েছিল ৭৩৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির সমন্বিত আয় বেড়েছে ৫ শতাংশ। চলতি হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির ১৩৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে সমন্বিত নিট মুনাফা ছিল ১২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ১২ শতাংশ।
প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা ১৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১২ টাকা ৭০ পয়সা। এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৭৮ টাকা ১৮ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ১৪৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। এর আগের ২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৩০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৫১ টাকা ৯৪ পয়সা। যেখানে আগের হিসাব বছরে সমন্বিত ইপিএস ছিল ৪১ টাকা ১৭ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডা অনুমোদনের জন্য এ বছরের ১৮ ডিসেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ নভেম্বর।
ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ার সর্বশেষ ১ হাজার ৩০৭ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৮৫ টাকা থেকে সর্বনিম্ন ১ হাজার ৭১ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে।


