আমদানি পণ্যের এইচএস কোড
ভুলের ক্ষেত্রে ৪০০% জরিমানার বিধান প্রত্যাহার চায় বিজিএমইএ

কাস্টমস আইন ২০২৩-এর ১৭১ ধারায় আমদানি করা পণ্যের এইচএস কোড ভুল হলে ২০০ থেকে ৪০০ শতাংশ জরিমানার বিধান করা হয়েছে। এটি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়ে নতুন কাস্টমস আইন বাস্তবায়নের আগে সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ তিনটি সংগঠন।

গতকাল রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ সেন্টারে আয়োজিত ‘বাজেট প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি এসএম মান্নান কচি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) মোহাম্মদ আলী খোকনসহ তিনটি সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা।

এইচএস কোডের পূর্ণরূপ হচ্ছে হারমোনাইজড কমোডিটি ডেসক্রিপশন অ্যান্ড কোডিং সিস্টেম। এর মাধ্যমে একটি পণ্যকে সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়। এ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত কোড ভুল হওয়াকে অতি স্বাভাবিক ঘটনা দাবি করেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, ভুল যেকোনো দিক থেকেই হতে পারে। কখনো কখনো ক্রেতারা ভুল করেন, কখনো কখনো বিক্রেতাদের দিক থেকে ভুল হয়। বিশাল কর্মযজ্ঞে সবকিছু শতভাগ নির্ভুল হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। ফলে এমন সামান্য ভুলের জন্য ২০০ থেকে ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত কর আদায়ের বিধান যুক্তিযুক্ত হতে পারে না।

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দেয়া হয়েছে মর্মে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে জানান এনবিআর চেয়ারম্যান। এ বিষয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমইএ সভাপতি একযোগে দ্বিমত পোষণ করেন।

বাজেটে ব্যবসায়ীদের দাবির কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বিজিএমইএ সভাপতি মান্নান কচি বলেন, ‘বাজেট বক্তব্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসায় আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে। তবে বৈদেশিক মুদ্রা আহরণের এ প্রধান খাতটির (পোশাক খাত) জন্য কিছু নীতিসহায়তার প্রস্তাব দেয়া হলেও বর্তমান কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য আমাদের মূল প্রস্তাবগুলো বাজেটে প্রতিফলিত হয়নি।’

এন এস