শিরোনাম
আজ থেকে রাত ৮টায় বন্ধ হবে মার্কেট-দোকানপাটভারত থেকে আনা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত উপাদানডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ভর্তি ১২৯৯হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যুডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭এনসিপির নতুন আহ্বায়ক নাহিদ, সদস্যসচিব আখতারইউরোপ থেকে ফেরত ৩৫ বাংলাদেশিশীতের সবজি বাজারে, কমল কিছু পণ্যের দামকমল স্বর্ণের দামফলের চড়া দামে ক্রেতার নাভিশ্বাসতিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৬দাম্মাম ও রিয়াদে ফের বিমানের ফ্লাইট স্থগিতগ্রীনভ্যালি এপার্টমেন্টের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিতবাসা ভাড়ার নামে ডেকে এনে বিজ্ঞানী সরোয়ারকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টাসাইবার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
down of head

ভারতীয় পণ্যের পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্ট জানুয়ারিতে

 

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পথ ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য পরিবহনে পরীক্ষামূলক ট্রান্সশিপমেন্ট চালু হচ্ছে। এ জন্য ভারতকে কোনো বাড়তি মাশুল গুনতে হচ্ছে না।

বাংলাদেশ-ভারতের সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে দু’দেশের নৌ সচিবরা এ তথ্য জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের নৌ সচিব মো. আবদুস সামাদ বলেন, আনন্দের বিষয় হচ্ছে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে দুই দেশের নৌ যোগাযোগ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করেছি। সারা পৃথিবীতে দুই দেশের কানেকটিভিটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সড়ক ও রেলের তুলনায় নৌ যোগাযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নৌপথে চলাচল অনেক সাশ্রয়ী ও পরিবেশসম্মত।

ভারতের নৌ সচিব গোপাল কৃষ্ণ বলেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা খুবই আন্তরিক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। বিগত চার বছরে তিনটি চুক্তি হয়েছে। আমরা নৌ যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়েছি। নৌ যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও নেতৃত্বের পর্যায়ে রয়েছে। বৈঠকে যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে তা দুই দেশই যৌক্তিকভাবে বিবেচনা করবে।

আলোচনায় তারা খুবই সন্তুষ্ট এবং আরও আলোচনা করবেন বলে জানান ভারতের নৌ সচিব।

ট্রান্সশিপমেন্ট চার্জ নিয়ম অনুযায়ী হবে উল্লেখ করে গোপাল কৃষ্ণ বলেন, আমরা দুটি ট্রায়াল রান করব। প্রথমটি জানুয়ারিতে। এরপর দ্বিতীয় ট্রায়াল রান। এরপরই দ্রুততার সঙ্গে ট্রান্সশিপমেন্ট চালু করতে চাই। এর সুবিধা জনগণ পাবে। সে জন্য দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করবে। এর মাধ্যমে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভালো এবং আরও শক্তিশালী হবে।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতীয় পণ্য আনা-নেয়ার ওপর আন্তঃসরকার কমিটির বৈঠকের বিষয়ে নৌ সচিব সামাদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত গ্যাটের স্বাক্ষরকারী হিসেবে ট্রান্সশিপমেন্ট পণ্যের ওপর কাস্টমস প্রযোজ্য নয়। তবে অপারেশনাল ও সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য। মোংলা ও চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারে বিদ্যমান নিজ নিজ ট্যারিফ শিডিউল অনুযায়ী চার্জ আদায় করা হবে।

তিনি আরও বলেন, সড়ক পরিবহনের আইন অনুযায়ী সড়ক চার্জ হবে। তবে সব চার্জই র‌্যাশনাল ও লজিকাল ওয়েতে (যৌক্তিক ও বাস্তবভিত্তিক) হবে। এ চুক্তির আওতায় ই-লক ব্যবহার হবে। অর্থাৎ ভারত থেকে কোনো পণ্য চট্টগ্রাম বন্দরে আসার পর কাস্টমস সেটি ই-লক করবে। ওই পণ্য আখাউড়া দিয়ে গেলে সেই বন্দরে সেই লক কাস্টমস খুলে দেবে। এছাড়া এসব পণ্য আখাউড়া বা অন্য বন্দরে যেখানে যাক না কেন বাংলাদেশের ট্রাক-টেইলর বা নৌযান ব্যবহার করবে।

পর্যটকদের অন অ্যারাইভাল ভিসার বিষয়ে সচিব বলেন, দুই দেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে অন অ্যারাইভাল ভিসা দরকার। আমরা প্রস্তাব করেছি। ভারতের নৌ সচিব সম্মত হয়েছেন। তবে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আমরা জানাব যাতে পর্যটকদের এ ভিসা দিতে পারি।

সম্পর্কিত খবর