প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
নির্লজ্জ মিথ্যাচার চলছে ইখতিয়ার উদ্দীন শাহীনের বিরুদ্ধে!

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ

কোন ধরনের ‘অনিয়ম ও অভিযোগ’ প্রমাণ করতে না পেরে নির্লজ্জ মিথ্যাচারে নেমেছে স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর সংঘবদ্ধ একটি চক্র- লিখিত এক প্রতিবাদ লিপিতে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিইও ইখতিয়ার উদ্দীন শাহীন এমন দাবী করেন।

সাবেক সিইও বলেন, ১২ আগষ্ট একটি পত্রিকায় স্বদেশ লাইফের প্রশাসক এস কে রেজাউল ইসলাম ও তার কয়েকজন ‘বহিস্কৃত ও অবৈধ’ সহযোগীর প্ররোচনায় যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তা বাস্তবতা বিবর্জিত ও কল্পনা প্রসূত ও অসত্য। আমি ভিত্তিহীন এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

প্রকৃত বিষয় হলো- স্বদেশ ইসলামী লাইফ কোম্পানীতে ৯ জুন ২০২০ থেকে ৮ জনু ২০২৩ পর্যন্ত আমি কোম্পানীর মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। পরবর্তীতে আমার মেয়াদ নবায়ন করার লক্ষ্যে প্রস্তাব প্রেরণ করা হয় যা ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রন কতৃপক্ষ’ কর্তৃক না- মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমাকে কোম্পানীর চাকুরী থেকে অপসারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ন মিথ্যা।

মূলত, স্বদেশ ইসলামী লাইফে আমি দায়িত্বরত অবস্থায় কোম্পানীর ব্যবসা ও সাংঠনিক কাঠামোর যথেষ্ট উন্নতি হয়। এই সময়ে বীমা আইন, আইডিআরএর প্রজ্ঞাপন এবং পরিচালনা পর্ষদের নির্দশনা অনুসরণ করে পরিচালিত হয় স্বদেশ লাইফ। আমার নেতৃত্বে যখন বীমা সেবা এবং ব্যবসায়ীক সমৃদ্ধির মাধ্যমে গ্রাহকদের নির্ভরতার প্রতীকে রুপান্তরিত হচ্ছিল– ঠিক তখন’ই প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন ও অগ্রযাত্রা ব্যহত করতে ধারাবাহিকভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেয় চিহ্নিত অসাধু চক্র। আত্মসাত কিংবা অর্থ লোপাট দূরের কথা, সুদীর্ঘ পেশাগত জীবনে কখনো কোন ধরনের অনিয়ম ও দূনীতির প্রশ্রয় দেই নি। আমার দায়িত্বকালীন তিন বছরে যখন স্বদেশ ইসলামী লাইফ বীমা দাবী পরিশোধ করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা, গ্রাহক সুরক্ষা এবং সম্পদের নিরাপত্তা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল- ঠিক তখনই ষড়যন্ত্র শুরু হয়। একের পর এক ভুল ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে ‘অতিরঞ্জিত ও বানোয়াট গল্প’ পরিবেশনে সহায়তা করে। শুধু তাই নয়, চক্রান্তকারীরা সকল প্রকার অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে বতর্মানে আমার ব্যক্তিগত জীবন-যাপন ও চরিত্রের উপর কালিমা লেপনের চেষ্টা করছে। এমনকি পত্রিকার প্রতিনিধি সঠিকভাবে কোন তথ্য যাচাই করেন নি। দু:খজনক হলেও সত্য ‘মিথ্যা, ভূল, বিকৃত ও মনগড়া’ সংবাদের পাশাপাশি, প্রতিবেদক আমার সাথে কোন কথাও বলেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার উপর এমন নির্লজ্জ ও নগ্ন আক্রমনের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। স্বদেশ লাইফ থেকে যারা মিথ্যা তথ্য দিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। এরকম অসঙ্গতিপূর্ণ ও আংশিক এসব সংবাদ পরিবেশন করে বীমা খাতে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই। আপনারা কোনো সংবাদ বা ব্যক্তির অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। এ বিষয়ে বীমা খাত সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কয়েকজন অশিক্ষিত ও অসাধু ব্যক্তির কাছে স্বদেশ লাইফ কিভাবে জিম্মি, লুটপাট করে কারা এই প্রতিষ্ঠানকে দেউলিয়ার পথে নিয়ে যাচ্ছে- অতিদ্রুত দেশের গণমাধ্যমগুলোতে- স্বদেশ লাইফের প্রকৃত তথ্য নিয়ে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হবে।

এন এস

সম্পর্কিত খবর