দাম কমিয়েও মিলছে না তরমুজের ক্রেতা

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীতে তরমুজের দাম কমে অর্ধেকে নেমেছে। বাজারে প্রথম আসার পর মার্চের শুরুতে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা দরে। রমজান শুরু হওয়ার পর সে দাম ৮০ টাকায় এসেছিল। এখন ৪৫ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে মিলছে প্রতি কেজি তরমুজ। কোথাও কোথাও ৪০ টাকা দরেও পাওয়া যাচ্ছে। আবার কোথাও প্রতি পিস বড়োসড়ো তরমুজ ২০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু এরপরও ক্রেতা পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা।

শনিবার রাজধানীর দয়াগঞ্জ, গোপীবাগ, রামপুরাসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুব ভালোমানের তরমুজ প্রতিকেজি ৪৫-৫০ টাকা। তবে ভ্যানে ও ফুটপাতে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। আকারে ছোট বা ৪-৫ কেজির তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি করতে দেখা গেছে। সেক্ষেত্রে ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এ তরমুজ।

তিস্তা থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধারতিস্তা থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার
আনোয়ার হোসেন নামের একজন বিক্রেতা জানান, বাজারে তরমুজের সরবরাহ বেড়েছে। তবে সেই অনুযায়ী ক্রেতা নেই। আবার আগের থেকে পরিপক্ক তরমুজ মিলছে। ওজন করেও পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি করছি, যে যেভাবে নেন। কিন্তু এতেও বিক্রি বাড়ছে না।

দয়াগঞ্জ বাজারে তরমুজ বিক্রেতা শাহীন মিয়া জানান, তরমুজ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ায় ক্রেতা শূন্য বলা যেতে পারে। এতে লাভের বদলে লোকসান গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। মোকাম থেকে যে দরে তরমুজ কেনা হয়েছে তা থেকে অনেক কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কাঁচামাল তাই ধরে রাখলে নষ্ট হবে বিধায় লোকসান দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।

তবে খুচরা পর্যায়ে গিয়ে দাম বেড়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন পাইকারি বিক্রেতারা। তারা বলছেন, আড়তে যে দামে তরমুজ মিলছে, সেই তুলনায় খুচরাই দাম কমেনি। তরমুজের কেজি ৩০ টাকার মধ্যে হওয়া দরকার।

ক্রেতাদের দাবি, তারা বয়কট করায় কমতে শুরু করেছে তরমুজের দাম। ক্রেতারা জোটবদ্ধ হয়ে পচনশীল এ পণ্য কেনা সাময়িক বন্ধ করতে পারলেই দাম নেমে আসবে ৩০ টাকার নিচে। পাশাপাশি কেজির বদলে পিস হিসেবে বিক্রি করতে বাধ্য হবেন ব্যবসায়ীরা।

বিক্রেতারা জানান, বেশি পরিমাণে তরমুজ বাজারে আসায় দ্রুত দাম কমতে শুরু করেছে। এছাড়া রোজার শুরুতে তরমুজের অস্বাভাবিক দাম হওয়ার কারণে অনেকে তরমুজ না কেনার জন্য প্রচার-প্রচারণা চালান। যাতে তরমুজের বিক্রি অনেক কমেছে।

সম্পর্কিত খবর