দক্ষ জনশক্তি বিদেশ গেলে রেমিটেন্স ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে
বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীরা দেশে ২৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। কারিগরি শিক্ষা নিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিদেশ গেলে এ রেমিটেন্স একদিন ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে বিশ্বাস করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। আজ শুক্রবার দুপুরে ইউসেপ হাফিজ মজুমদার সিলেট টেকনিকেল স্কুলের ‘ইউসেপ কৃতি শিক্ষার্থী’ সংবর্ধনা ২০২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রবাসীরা দেশে ২৫ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স পাঠিয়েছেন। যা জাতীয় বাজেটের বড় একটা অংশ। কারিগরি শিক্ষা নিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে বিদেশ গেলে সেটি একদিন ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে বলে বিশ্বাস করি।
তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে বেকারত্বের হার খুবই কম। কারণ ওখানকার লোকজন উদ্যোক্তা হিসেবে মানুষকে চাকরি দেয়, চাকরির পেছনে ছোঁটে না। আমরা শুধু সাধারণ বিভাগে পড়াশোনা করো চাই না আমরা কারিগরি শিক্ষা নিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে ওঠো এটা চাই। ডিগ্রি অর্জন করে শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হতে হবে। চাকরির পেছনে না ছুটে চাকরি দিতে হবে।
ড. মোমেন আরো বলেন, মেধা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলে সফলতার উচ্চ শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। আমরা পারি এটা মনের মধ্যে জাগাতে পারলে পড়ালেখায় কৃতিত্ব অর্জন সম্ভব। ইউসেপ সিলেটের শিক্ষকরা সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মননে আমরা পারি এ মনোবল সৃষ্টি করায় শিক্ষার্থীরা অনন্য অসাধারণ ফলাফল অর্জন করতে পেরেছে। এজন্য আমি শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানাই। আগামীতে ইউসেপ বাংলাদেশের মহৎ এ কাজের সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।
এর আগে সকালে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্মাণাধীন এক্সপোর্ট কার্গো কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় সিলেট থেকে সরাসরি বিদেশে পণ্য রফতানীর প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।
আবদুল মোমেন বলেন, ওসমানী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি বিভিন্ন দেশে যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমাদের দেশে এ ধরনের অনেকগুলো কার্গো কেনা হয়েছে। আরো ছয়টি ঢাকার জন্য কেনা হয়েছে। শুধু আমাদের সিলেটেরটি ইনস্টল (বসানো) হয়েছে। সুতরাং এটা ভালো খবর।
সিলেট থেকে কার্গো বিদেশে গেলে পাঠানোর শিপমেন্ট খরচ কমে আসবে বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজ আহমেদ, সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।


