তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে যে প্রস্তাব দিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি

বাজারে সয়াবিন তেলের সরবরাহ ঠিক রাখতে ১৫ দিন পরপর দাম সমন্ব করার প্রস্তাব দিয়েছেন দিয়েছেন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।

বুধবার (১১ মে) এফবিসিসিআই’র নিজস্ব ভবনে ভোজ্যতেল আমদানি, মজুত, সরবরাহ এবং মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রস্তাব দেন।

সভার শুরুতে এফবিসিসিআই’র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের বিশ্বাস করে ভুল করেছি’ বাণিজ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্য আমাদের ব্যথিত করেছে, ব্যবসায়ীদের সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।

বাজার মনিটরিং কমিটি কোনও কাজ করেনি এ অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, গুটি কয়েক ব্যবসায়ীর কারণে আমাদেরকে ঢালাওভাবে অসাধু ব্যবসায়ী বলা হচ্ছে। অথচ তেল পাওয়া যাচ্ছে হাতেগুনা কয়েকজনের কাছে। সামান্য কয়েকজনের জন্য সবাইকে অসাধু বলাটা মেনে নেওয়া যায় না।

এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বিশ্ববাজারে প্রতিদিন সয়াবিন তেলের দাম ওঠানামা করছে। এই পরিস্থিতিতে এখন আর এক-দেড় মাস পরপর দাম সমন্বয় করা ঠিক হবে না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ১৫ দিন পরপর তেলের দাম সমন্বয় করতে হবে। বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে কমাতে হবে আর বিশ্ববাজারে বাড়লে বাড়াতে হবে।

আমদানি পর্যায়ে সয়াবিন তেলের ওপর ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী কোরবানি পর্যন্ত সব ধরনের ভোজ্যতেল আমদানিতে শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের বিষয়টি সরকারের বিবেচনা করা উচিত।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে সরকার দুই কোটি লিটার (প্রতি লিটার ১১০ টাকা) তেল বিক্রি করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মতবিনিময় সভায় এই বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীরা বলেন, টিসিবি এই তেল দেশের বাজার থেকে সংগ্রহ না করে সরাসরি বিদেশ থেকে আমদানি করলে ভালো হয়। কারণ টিসিবি যদি বিপুল পরিমাণ এই তেল দেশের বাজার থেকে সংগ্রহ করে তাহলে দেশের বাজারে তেলের সংকট তৈরি হবে।