শিরোনাম
মূল্যস্ফীতি কমে ৮.২৬%, খাদ্যবহির্ভূতে বেড়েছেট্রাস্ট লাইফের শেয়ার কারসাজি, তিন বিনিয়োগকারীকে জরিমানাবিশ্বব্যাংক-আইএমএফ সভা শুরু, ঋণ নিয়ে আলোচনাভয়ংকর স্বদেশ লাইফ: সব টাকা লুটে খাচ্ছে সিন্ডিকেট!ডেঙ্গুতে এক দিনে ভর্তি ২১৯৩, মৃত্যু ৪প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সাক্ষাৎদুই মাসে সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগে বড় বৃদ্ধিএসএমই অর্থায়ন ও কর্মসংস্থানে অগ্রাধিকারআড়াইহাজারে ৩ কোটি টাকার সুতা জব্দহামে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১,০৮৬ জনপ্রবাসীদের জন্য ব্যাংক হিসাবের নতুন নিয়ম, বাড়লো সুবিধাডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ডিএসইতে পিই রেশিও কমেছে দশমিক ৪৫ শতাংশপরিবহন ব্যয়ে বাড়ছে সবজির দামফের বাড়ল সোনার দাম
down of head

‘ঘুষের ঝুঁকি সূচক’: দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষ বাংলাদেশ

 

ঘুষ দেওয়া-নেওয়ার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের এই স্কোর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি, যেখানে ভারত ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে ৭৮তম এবং পাকিস্তান ৬২ পয়েন্ট নিয়ে ১৫৩তম অবস্থানে আছে।

ঘুষের ঝুঁকির সূচকে সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচটি দেশ হলো- নিউ জিল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক, সুইডেন ও ফিনল্যান্ড। আর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ হলো- ভেনেজুয়েলা, ইয়েমেন, নর্থ কোরিয়া, দক্ষিণ সুদান ও সোমালিয়া।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ঘুষবিরোধী একটি বৈশ্বিক সংগঠনের তৈরি ‘ট্রেস ব্রাইবারি রিস্ক ম্যাট্রিক্স’ শিরোনামে হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ চিত্র ফুটে উঠেছে।

প্রধানত চারটি ক্ষেত্রে ভাল-মন্দ বিবেচনায় ১-১০০ এর মধ্যে স্কোরের ভিত্তিতে ঘুষের ঝুঁকি পরিমাপের এই সূচকে ২০০টি দেশের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।

সম্প্রতি প্রকাশিত এই সূচকের ২০১৯ সালের সংস্করণে ঘুষের ঝুঁকির ক্ষেত্রে আগের বছরের চেয়ে দুই পয়েন্ট বেড়ে ৭২ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশ ১৭৮তম অবস্থানে আছে। এর অর্থ হলো- এদেশে ঘুষের ঝুঁকি আগের চেয়ে বেড়েছে।

বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য ক্ষেত্রে ঘুষের ঝুঁকির বিষয়ে ব্যবসায়ী মহলে আরও বেশি নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রয়োজন মেটাতে ২০১৪ সালে প্রথম এই সূচক প্রকাশ করা হয়। কোনো বিশেষ দেশে কোম্পানির কাছে ঘুষ চাওয়া হবে কিনা বা ঘুষের সম্মুখীন হতে হবে কিনা তার পরিমাপ করে এই সূচক।

বিনামূলে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এই সূচক বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ঘুষের প্রসার ঘটায় এমন কতগুলো পরিস্থিতি বুঝতে কোম্পানিগুলোকে সহায়তা করে।

এগুলো হলো- বেসরকারি খাতের সঙ্গে সরকারের যোগাযোগের ধরণ ও বিস্তৃতি; ঘুষের প্রতি সামাজিক মনোভাব ও তা নিষিদ্ধে সরকারের ক্ষমতা; সরকারের স্বচ্ছতা; এবং দুর্নীতি পর্যবেক্ষণ ও প্রকাশে সুশীল সমাজের সক্ষমতা।

সম্পর্কিত খবর