ঈদ-নববর্ষের কেনাকাটায় জমজমাট অনলাইন
নতুন পোশাক নিয়ে ফেসবুকে হাজির হচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তারকারা। ঈদ আর নববর্ষ একসাথে আসায় অনলাইনে জমে উঠেছে কেনাকাটা। বিক্রেতারা বলছেন, এবার মোট বিক্রির অন্তত ৩০ শতাংশই হবে অনলাইনে।
শপিং করে জিতে নিন বাইক কিংবা আইফোন। থাকছে বিভিন্ন অংকের ছাড়। ডিজিটাল পেমেন্টে ডিসকাউউন্ট থাকছে বেশি। পোশাক অর্ডার করা থেকে পেমেন্ট এবং পণ্য বুঝে নেয়া, সবটাই হবে ঘরে বসেই।
লাইভ শপিংয়ের প্রতিষ্ঠাতা আশিক খান বলেন, আমাদের মোট ব্যবসার ৩০ শতাংশ আসে অফলাইন স্টোর থেকে । ৭০ ভাগ অনলাইন থেকে। অনলাইন থেকে কেনাকাটা অনেক কমফোর্টেবল হয়। আমাদের সাত দিনের একটা ক্রেতা সুরকা নীতি আছে। এই সাত দিনের মধ্যে ক্রেতারা আমাদের সঙ্গে সহজে তার পণ্য নিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।
রাজধানীর অনেক শো-রুম ফাঁকা। কিন্তু অনলাইনে বিক্রি জমজমাট। পোশাক নিয়ে উদ্যোক্তারা আসছেন। ডিজাইন,সাইজ আর কাপড়ের ধরন বর্ণনা করার আগেই হচ্ছে বিক্রি। দেশীয় পোশাকের ব্রান্ডেও পড়েছে অনলাইনে কেনাকাটার প্রভাব।
বিশ্ব রং এর স্বত্বাধিকারী বিপ্লব সাহা বলন, একটা পোশাক হয়তো আমরা আউলেটে পাঠাচ্ছি একইসাথে ফেসবুকে ছবিটা দিচ্ছি, দেখা যাচ্ছে ক্রেতা আউটলেট পর্যন্ত আসার আগেই ফেসবুক থেকে পণ্য বুকিং হয়ে যাচ্ছে। অনেকে শো-রুমে এসে পাচ্ছেনও না । সেজন্য আমরা গ্রাহকদের বলি প্লিজ প্রতিদিন অন্তত তিনবার ফেসবুক পেজটা চেক করবেন।
অঞ্জন’স এর স্বত্বাধিকারী শাহিন আহমেদ বলেন, আমাদের ওয়েবসাইট থেকে যেমন বিক্রি হয় তেমনই অনেকে সেখানে পছন্দ করে শো-রুম থেকে কিনে থাকেন। তবে একটা জিনিস, অনলাইনে কেনাকাটা যত দিন যাচ্ছে বাড়ছে। আমার ধারণা ভবিষ্যতে এটা আরও বাড়বে।
তবে প্রতারণা এড়াতে অনলাইন কেনাকাটার সময় সংশ্লিষ্ট পেজ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে খোঁজ খবর করে য়ার পরামর্শ প্রযুক্তিবিদদের।
প্রযুক্তিবিদ ওবায়দুর রহমান বলেন, ক্রেতা সবসময় চিন্তা করে নতুন কী অফার পাওয়া যাবে। ৫০, ৬০ শতাংশ ছাড়, একটা কিনলে একটা ফ্রি…। কিন্তু অনলাইনে অনেক ধরনের প্রতারণা কিন্তু এখন দেখা যায়। বিদেশি ছবি দিয়ে অনেক ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় অফার দেয়া হয় যেখানে আপনার ক্রেডিট কার্ড এবং গোপনীয় পেমেন্ট ইনফরমেশন সেখানে দেন; এজন্য আমাদের সবসময় উচিৎ যাদের ভেরিপায়েড পেমেন্ট পার্টনার আছে, যারা আপনার কার্ডের তথ্য নেবে কিন্তু মার্চেন্টের সাথে শেয়ার করবে না- এমন যাদের আছে তাদের সাথে লেনদেন করা উচিৎ।
শুধু অনলাইন অর্ডারই নয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে পেমেন্টও হচ্ছে অন্তত ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে।


