ইস্পাত উৎপাদনে নীতিমালা শিথিল করতে পারে চীন
২০২২ সালে স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে চীন। এ লক্ষ্যে আগামী বছর ইস্পাতের চাহিদা ও সরবরাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা সহজ করা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। চীনের পলিটব্যুরো আর্থিক নীতিমালা সহজ করার পাশাপাশি সম্পদ খাতে স্বাস্থ্যকর উন্নয়ন নিশ্চিতকে গুরুত্ব দিচ্ছে। ২০২২ সালে সহজলভ্য মূল্যে গৃহ ক্রয়ের সুবিধা দিতে এমন পরিকল্পনা নিয়েছে চীনা প্রশাসন। খবর এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল প্ল্যাটস।
চীনে ইস্পাতের সবচেয়ে বড় ভোক্তা দেশটির গৃহ খাত। মোট ব্যবহূত ইস্পাতের ৩০ শতাংশই ব্যবহার করে খাতটি। নির্মাণ খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত গৃহ ও অবকাঠামো খাতে ব্যবহূত ইস্পাতের পরিমাণ চীনের মোট ব্যবহারের ৭০ শতাংশ।
তবে দেশটির পলিটব্যুরোর বৈঠকে ২০২২ সালের মধ্যে চীনের জীবনযাপন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার আলোচনা উঠলেও সেখানে সরবরাহ নিয়ে কোনো প্রকার আলোচনা হয়নি। বৈঠকে ইস্পাতের দাম যেন দেশটির মুদ্রাস্ফীতিতে কোনো বাড়তি চাপ তৈরি না করে, সে ব্যাপারে আলোচনা করেছেন সদস্যরা। তবে কিছু সূত্র জানিয়েছে, অদূর ভবিষ্যতে ইস্পাত শিল্প উৎপাদন নিষেধাজ্ঞা অথবা রফতানিতে সীমাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে পারে।
কিছু কারখানা সূত্র জানায়, ২০২২ সালের প্রথমার্ধে ইস্পাতের উৎপাদন ২০২১ সালের দ্বিতীয়ার্ধের তুলনায় পুনরুদ্ধার হতে পারে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশটিতে ইস্পাত উৎপাদন হ্রাসের অন্যতম কারণ ছিল বেইজিংয়ের চাপ প্রয়োগ। তবে আগামী বছর স্থানীয় সরকারগুলো উৎপাদন নীতিমালায় কিছুটা সংস্কার আনতে পারে।


